প্রচ্ছদ

স্বামীর বিরুদ্ধে সাজানো ধর্ষণ মামলা : সঠিক তদন্ত ও মানহানির প্রতিবাদে রোকশানার সংবাদ সম্মেলন

০৮ এপ্রিল ২০১৯, ২০:০২

অপরাধ বাণী

অপরাধ বাণী : সিলেট নগরির আখালিয়া বাজার এলাকায় মিথ্যা সাজানো ধর্ষণ মামলায় পালিয়ে বেড়াচ্ছেন ইলেক্ট্রিশিয়ান মানিক মিয়া। উক্ত সাজানো ঘটনায় কতিপয় একটিচক্র তার বিরুদ্ধে এলাকায় পোষ্টারিং ও লিফলেট বিতরন করে পারিবারিক মান সম্মান নষ্ট করার প্রতিবাদে (০৮ এপ্রিল) সোমবার বিকালে সিলেট সিটি প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ রকম অভিযোগ করেন মানিক মিয়ার স্ত্রী রোকশানা খানম। তিনি সিলেট নগরীর আখালিয়াবাজারস্থ পূর্বাশা জি-৫ নং বাসার বাসিন্দা। তিনি বিগত সিটি নির্বাচনে ৭,৮ও ৯ নং ওয়ার্ড থেকে ২বার মহিলা কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করেন। রোকশানা খানম সিলেটের প্রবীন সাংবাদিক ও কলামিস্ট আকসার বক্স’র মেয়ে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে রোকশানা অভিযোগ করেন, গত ৫ এপ্রিল শুক্রবার রাতে হঠাৎ করে কোতোয়ালি থানার একদল পুলিশ বাসায় গিয়ে তার স্বামী মানিক মিয়াকে খোঁজতে থাকে। তখন পুলিশের মাধ্যমেই জানতে পারেন তার স্বামী মানিক মিয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেছেন আখালিয়ার ধনু-হাটারপাড়স্থ রোকশানার পিতার মালিকানাধীন জাহাজ মঞ্জিলের ভাড়াটিয়া  ও সুনামগঞ্জ জেলার দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার মুরাদপুর গ্রামের মৃত করিম মিয়ার ছেলে রিকসাচালক জুনু মিয়া। আমার স্বামী মানিক মিয়া না কি তার বাকপ্রতিবন্ধি স্ত্রী খুর্শেদা বেগমকে গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত অনুমান ১০ থেকে ১২ টা পর্যন্ত ‘ধর্ষণ’ করেন। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা,কাল্পনিক ও সাজানো। এ ঘটনায় গত ৫/৪/২০১৯ ইং তারিখে সিলেট কোতয়ালী থানা পুলিশ একটি মামলা রেকর্ড করে যাহার নং ১০( ৫)১৯ ইং। মামলার অভিযুক্ত মানিক মিয়া আখালিয়া বাজার এলাকার বাসিন্ধা মৃত সৈয়দুর রহমান মালাই মিয়ার ছেলে। লিখিত বক্তবে রোকশানা বেগম বলেন, প্রকৃত ঘটনা হলো জুনু মিয়া একজন চিহ্নিত নারী ও মাদক ব্যবসায়ী। তার স্ত্রী খুর্শেদা বেগমসহ সে অসামাজিক কাজে জড়িত থাকার কারনে বাসার মালিক রোকশানার পিতা আকসার বক্স ৪/৫ মাস পূর্ব থেকে তাদের বাসা ছেড়ে দিতে চাপ প্রয়োগ দিয়ে আসছেন। কিন্তু জুনু এলাকার কতিপয় ব্যক্তিদের মদদ পেয়ে বাসা না ছেড়ে উল্টো (আকসার মিয়ার জামাতা) আমার স্বামীকে মিথ্যা ‘ধর্ষণ’ মামলায় ফাঁসিয়ে আমার পিতাসহ আমাদের পারিবারিক মানসম্মান ক্ষুন্ন করার পায়তারা করছে। তিনি আরো বলেন, আমার স্বামী মানিক মিয়া একজন হার্টের রোগী,তার হার্টে তিনটি রিং লাগানো রয়েছে। উল্লেখিত ঘটনার দিন ও সময়ে তিনি আমার সাথেই বাসায় অবস্থান করছিলেন। সাজানো ধর্ষণের ঘটনা সম্পর্কে  জুনু ও খুর্শেদার প্রতিবেশী অন্যান্য ভাড়াটিয়াসহ বাসার মালিক কিছুই জানলেন না। এরকম একটি ঘটনা ঘটে গেলো। এমনকি ৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মখলিছুর রহমান কামরানও এ বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান রোকশানা খানম। তিনি আরো বলেন, মিথ্যা অভিযোগের পর থেকে আমার অসুস্থ স্বামী নিখোঁজ রয়েছেন। আত্মীয় স্বজনের বাড়িসহ বারবার মোবাইলে যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যাচ্ছেনা। আমার স্বামী সম্পন্ন ভাবে ষড়যন্ত্রের শিকার। আখালিয়া পূর্বাশা যুব কল্যাণ সংস্থার নির্বাচনকে টার্গেট করে আমার স্বামীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে তাকে নির্বাচন দুরে রাখতে ষড়যন্ত্র করে জুনু ও তার স্ত্রী খুর্শেদাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছেন কতিপয় একটিচক্র। তিনি উক্ত ক্লাবের বর্তমান সভাপতি ও আসন্ন নির্বাচনে আবারও সভাপতি পদপ্রার্থী। উক্ত ষড়যন্ত্রমূলক মামলাটির সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে আমার স্বামীর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ থেকে মুক্তিসহ পারিবারিক মান সম্মান রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সকল মহলের সহযোগীতা কামনা করছি। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মানিক মিয়ার নিকট আত্মীয় এনাম বক্স তুহিন, শাহিন আলম, আব্দুস সামী, আয়েশা আক্তার ও ফাহিমা বেগম প্রমুখ।



এ প্রতিবেদনটি .583 বার পঠিতসংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন
216Shares