প্রচ্ছদ

‘১৭ পরগনা’র কাজ কি ? নব্য এতো সংগঠন কিসের আলামত?

২৭ মে ২০১৯, ১৫:৪৩

অপরাধ বাণী

আব্দুল হালিম সাগর : বেশ কয়েক দিন থেকে দেখা যাচ্ছে বৃহত্তর জৈন্তা ও কানাইঘাট উপজেলার নাম দিয়ে নামে-বেনামে ছত্রাকের মতো বিভিন্ন সামাজিক পরিষদ আর সংগঠনের জন্ম হচ্ছে। গোঠি কয়েজন লোক এসব সংগঠন করে পদ-পদবী নিয়ে নেতা হতে জন্ম দিচ্ছেন একাধিক সংগঠনের। প্রতিটি সংগঠনের কমিটি কিংবা অনুষ্টানে এই কয়েকজন ছাড়া নতুন করে অন্য কাউকে দেখা যায় না। কিন্তু এসব সংগঠনের স্থায়ীত্ব কতখানি কিংবা কাদের স্বার্থে এসব সংগঠনের সূচনা হচ্ছে তা মাথায় ধরছেনা। প্রতিদিনই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে কিংবা ফোনে এসব সংগঠনের খবর শুনতে পাই। অনেকে আবার ফোন করে এসব বিষয়ে জানতে চায়? আসলে তাদের সুদত্তর দিতে না পারা হয়তো আমার ব্যার্থতা। কিন্তু হঠাৎ করে জৈন্তা আর কানাইঘাট নাম দিয়ে এতো সংগঠন আবিষ্কারের মুল কারণ কি? তাহলে কি আমরা আবার জৈন্তারাজ্য বলে স্বাধীনেতার ডাক দিতে যাচ্ছি? মাঝেমধ্যে প্রশাসনের দু-একজন সরাসরি প্রশ্ন করে বসেন, এসব সংগঠনের মূল রহস্য নিয়ে। প্রশ্ন হচ্ছে যে কয়জন এসব সংগঠন গঠন করছেন এই কয়েকজন লোক ছাড়া কি কানাইঘাট কিংবা বৃহত্তর জৈন্তায় আর কোন লোকজন নেই ? বৃহত্তর জৈন্তা কিংবা কানাইঘাট উপজেলায় অনেক নাম করা ব্যক্তির জন্ম হয়েছে। যারা দেশের শীর্ষ পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। কিন্তু তাদের কাউকে এসব অনুষ্টানে দেখা যায় না কেন? কয়েকজন লোক নিজেরা হোটেল কিংবা রেষ্টুরেন্ট বসেই নিজেদের স্বার্থে নিজের কয়েকজন লোক নিয়ে বৃহত্তরজৈন্তা কিংবা কানাইঘাট নাম দিয়ে একটি সংগঠন করে সবার মাথা বিক্রির চেষ্টার মূল রহস্যটা কি? কানাইঘাটের অনেক সচেতন নাগরিক এসব নব্য নেতাদের কাছে এর আসল রহস্য জানতে চায়? এক সময় বৃহত্তর জৈন্তা ছিলো একটি স্বাধীন রাষ্ট্র, ফলে আজও আমাদের জৈন্তাপুরি নামে কঠাক্ষের শুল শুনতে হয়। জানি এটা কোন অপরাধ নয়, এটা আমাদের ঐতিহ্য, কিন্তু এখনতো আর সেই রাম কিংবা সেই রানীর রাজ্য নেই। এখন আমরা বাংলাদেশী এটাই আমাদের আসল পরিচয়। সেই জৈন্তারাজ্য নিয়ে আগেই গঠন করা হয়েছে ১৭ পরগনা নামে একটি সালিশ কমিটি। কিন্তু সেই কমিটির কাজ কি অনেকেই জানেন না। কিংবা সেই কমিটির শালিস বিচার কি ভাবে কারা করে। কোথায় সেই সংগঠনের কার্যালয় তা জানেনা অনেকে। আবার কিভাবে সালিশ বিচারক কমিটিতে নির্বাচিত করা হয় কিংবা কারা করে নির্বাচন। কিভাবে ১৭ পরগণার কমিটি হয়ে থাকে তা কেউ বলতে পারবেনা? নতুন করে আবার হঠাৎ একাধিক সংগঠন কিসের আলামত তা খোলসা করতে হবে ঐ এলাকার সচেতন মহলের কাছে। কোন সংঘটন করতে হলে এলাকার সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে প্রতিটি নাগরীকের জানার অধিকার রয়েছে। নাকি সেলফিবাজী আর ইফতারপার্টি করার জন্যই এসব সংগঠন সৃষ্টি করা হচ্ছে তাও পরিষ্কার করতে হবে।



এ প্রতিবেদনটি .113 বার পঠিতসংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন
0Shares