প্রচ্ছদ

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক বিশ্ববাসীর জন্য দৃষ্টান্ত: প্রধানমন্ত্রী

০৫ অক্টোবর ২০১৯, ১৯:৫৪

অপরাধ বাণী

অপরাধ বাণী : বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিশ^বাসীর জন্য দৃষ্টান্ত বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি প্রত্যাশা করছেন, ভবিষ্যতেও দুই দেশের মধ্যে এই সম্পর্ক অব্যাহত থাকবে। শনিবার নয়া দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউজে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রী এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমাদের বহুমুখী ও বহুমাত্রিক সহযোগিতার ফলে সৃষ্ট দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিশ্ববাসীর সম্মুখে সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের দৃষ্টান্তরূপে পরিগণিত হচ্ছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতেও এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের উভয় দেশের মধ্যকার এই সম্পর্কের শুভ সূচনা হয়েছিল ১৯৭১ সালে যখন বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।’‘এই মুক্তিযুদ্ধে ভারতের জনগণ ও সরকারের অপরিসীম অবদানের কথা আমরা চিরদিন কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করি। আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে ক্ষেত্রে তা এক মাইলফলক হিসেবে পরিগণিত হয়।’ বাংলাদেশ থেকে ভারতে এলপিজি রপ্তানিতে দুই দেশ লাভবান হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে ভারতে এলপিজি রপ্তানির সিদ্ধান্ত আমাদের উভয় দেশের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্যিক সম্পর্ককে অধিকতর বেগবান করবে বলে আমি মনে করি। এছাড়া এর ফলে ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যসমূহের জ্বালানি চাহিদা পূরণ অনেকাংশে সহজ হবে বলে আমি আশা করছি।’বিগত এক দশকে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের সুফলতা নিয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘বিগত এক দশকে আমাদের উভয় দেশের মধ্যে বিভিন্ন প্রথাগত খাত যেমন নিরাপত্তা, বাণিজ্য, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, যোগাযোগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, জলবায়ু ও পরিবেশ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, শিক্ষা, সংস্কৃতি, জনযোগাযোগ বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্য প্রভৃতি খাতে সহযোগিতা প্রভূত পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে।’‘এর পাশাপাশি বিভিন্ন নতুন ও অপ্রচলিত খাত যেমন ব্লু-ইকোনমি এবং মেরিটাইম, পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার, মহাকাশ গবেষণা, ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ রপ্তানি ও সাইবার সিকিউরিটি প্রভৃতি খাতে উভয় দেশের সহযোগিতার হাত সম্প্রসারিত হয়েছে।’ এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে বৈঠক হয়। এতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্য সাতটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়। দুই নেতার মধ্যে তিনটি যৌথ প্রকল্প চুক্তি হয়েছে।



এ প্রতিবেদনটি .4 বার পঠিতসংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন
0Shares