আমার কর্মের মূল্যায়ন নেত্রী করবেন আমার বিশ্বাস
জননেত্রী শেখ হাসিনার আর্শিবাদই আমার লক্ষ্য : এড. রুহুল আনাম চৌধুরী মিন্টু

প্রকাশিত: ১১:৩৭ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৫, ২০১৯

<span style='color:#077D05;font-size:19px;'>আমার কর্মের মূল্যায়ন নেত্রী করবেন আমার বিশ্বাস</span> <br/> জননেত্রী শেখ হাসিনার আর্শিবাদই আমার লক্ষ্য : এড. রুহুল আনাম চৌধুরী মিন্টু

মো: আব্দুল হালিম সাগর :  বর্তমান সময়ে দেশের রাজনীতি ঘটনা, জাতির জনকের কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার দেশব্যাপী শুদ্ধি অভিযান, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতি, বঙ্গবন্ধুর ঘাতক নুর চৌধুরীর দেশে থাকা দূসরদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসা, প্রবাসী কমিনিউটি নেতাদের দৌরাত্ব্য, দেশের বিচার ব্যবস্থা, সিলেটী নেতাদের রাজনৈতীক আদর্শ,দলের অসময়ের কান্ডারী প্রয়াত নেতাদের কর্মের মূল্যায়ন ও বর্তমান রাজনীতিতে করণীয়-বর্জনীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অপরাধ বাণীর সম্পাদক ও প্রকাশক আব্দুল হালিম সাগর এর সাথে খোলামেলা ভাবে কথা বলেন, সিলেট জেলা আইনজীবি সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক,পরবর্তীতে সভাপতি, বর্তমান বাংলাদেশ বার-কাউন্সিলে ডি-অঞ্চল থেকে নির্বাচিত সদস্য ও আসন্ন সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনে সভাপতি পদপ্রত্যাশী ৮০ দশকের ছাত্রনেতা সিলেট বারের বিজ্ঞ আইনজীবি এ.এফ.এম.রুহুল আনাম চৌধুরী মিন্টু।
আমি প্রথমেই একজন সিলেটী হিসেবে লজ্জিত, কারণ বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি নুর চৌধুরীর বাড়ি এই সিলেট শহরে। যেই দিন ঘাতক নূরের ফাঁসির রায় কার্যকর হবে সেই দিন সিলেট হবে কলঙ্কমুক্ত। সম্প্রতি গুঞ্জন শুনা যাচ্ছে, ঘাতক নুর চৌধুরী বিদেশে বসে দেশে তার সম্পত্তি ভোগ করছে, যারা নুরের এজেন্ট হয়ে কাজ করছেন তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জোর দাবী জানাচ্ছি।
আশির দশকে নবম শ্রেণীর ছাত্র থাকা অবস্থায় আমি স্কুল ছাত্রলীগ, কলেজ ছাত্রলীগ, জেলা ছাত্রলীগ, জেলা যুবলীগ, আওয়ামী প্যানেলে আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক, পরবর্তীতে সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করি। আমার রাজনীতির হাতেখড়ি গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের প্রয়াত এমপি সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মরহুম এডভোকেট আব্দুর রহিমের হাত ধরে।
ছাত্রলীগ-যুবলীগের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি অংশ নেই এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে। এরপর জড়িয়ে পড়ি আইন পেশায়, দীর্ঘ ২৭ বছর থেকে সিলেট জেলাবারে আইন পেশায় নিয়োজিত রয়েছি।আওয়ামী লীগের প্যানেলের আইনজীবি হিসাবে সিলেট জেলা বারের সাধারণ সম্পাদক, পরবর্তীতে সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হই। এছাড়া দায়িত্বপালন করি বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে। বর্তমানে আমি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ডি-অঞ্চলের নির্বাচিত সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। জাতির জনকের আদর্শ ও বিশ্বশান্তির আহবানকারী, উন্নয়নের রুপকার জননেত্রী শেখ হাসিনার রাজনীতির পতাকা আমৃত্যু ধরে রাখতে চাই। যার জন্য আসন্ন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে আমি সভাপতি পদপ্রত্যাশী। তবে কোন পদ না পেলেও আমি শেখ হাসিনার কর্মী হিসেবে মরতে চাই।
বিশের দরবারে শান্তির রোলমডেল জাতির জনকের কন্যা জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সারাদেশে যে শুদ্ধি অভিযান শুরু হয়েছে ক্যাসিনো নামক জুয়া খেলা থেকে। তা দেশের ১৬ কোটি মানুষসহ বিশ্বের দরবারে আজ প্রশংসিত হয়েছে। যারা দলের ভিতরে থেকে কিংবা দলের বাইরে থেকে দখলবাজী,টেন্ডারবাজী,দূর্নীতিসহ বিভিন্ন ভাবে অবৈধ পথে হাজার কোটি টাকার পাহাড় গড়েছেন তাদের বিরুদ্ধে নেত্রীর এ অভিযানকে আমি স্বাগত জানাই। অভিযানটি চলবে সারাদেশ ব্যাপী, এখানে কে কোন দলের তার বিবেচ্য নয়। কে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামীলীগ এটা বড় কথা নয়। নেত্রীর এই শুদ্ধি অভিযানটি হচ্ছে দলমতের উর্দ্বে। শুদ্ধি অভিযান মানে যেখানে অপরাধ আর অপরাধী তাদের বিরুদ্ধেই এ অভিযান। শুরু হওয়া অভিযানটি সিলেটের বিভিন্ন উপজেলায় এমনকি ইউনিয়নেও চলতে পারে। কারণ সিলেটের বিভিন্ন উপজেলায় অনেক দূর্নীতিবাজ, টেন্ডারবাজ ঘাপটি মেরে বসে আছেন তাদের বিরুদ্ধে খুব শক্ত অভিযান চলবে বলে আশা প্রকাশ করছি? কারন নেত্রী নিজেই বলেছেন কোন দূনির্তীবাজ আমার আত্মীয় হলেও থাকে ছাড় দিবেনা।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাঝে রাজনীতির যে আদর্শ বা নিতী ছিলো সেই আদর্শ এখন রাজনীতিবীদদের আদর্শে নেই। কারণ বঙ্গবন্ধু রাজনীতি করতেন এদেশের অবহেলিত বঞ্চিত মানুষের জন্য। আর এখন নেতারা রাজনীতি করেন নিজের নীতিতে নিজের আখের গোছানোর জন্য। এ থেকে নিতী থেকে আমাদের বেরিয়ে আসা এখন সময়ের দাবী, প্রয়োজন ত্যাগী ও তৃণমুল কর্মীদের যথাযত মূল্যায়ন। দলের ভিতরে যাতে কোন অনুপ্রবেশকারী প্রবেশ করতে না পারে নেত্রী বার-বার বলার পরও কিছু-কিছু উপজেলায় অনুপ্রবেশকারীদের দৌরাত্ব বেড়ে গেছে। অনেক মাদক মামলার আসামী জেলে বসে অনেকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতিও বনে যাচ্ছেন। দায়িত্বশীল নেতারা বিষয়টির দায় এড়িয়ে যেতে পারেন না। অনুপ্রেবেশকারীরা কোন দিন ছাত্ররাজনীতি, যুবরাজনীতি কিংবা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি সাথে জড়িত ছিলেন না, উড়ে এসে জুড়ে বসে পদ ভাগিয়ে নিচ্ছেন কি করে, তা আমাদের বোধগাম্য নয়। যেখানে জননেত্রীর কঠুর নির্দেশ করেছে কোন অনুপ্রবেশকারী যেনো দলে সুযোগ নিতে না পারে। যারা সারাজীবন পরিচন্ন রাজনীতি করে গেছেন, কোন দিন পদ-পদবী ব্যবহার করে নিজের আঁেখর গোছাননি। দূর্নীতি, টেন্ডারবাজী, দখলবাজী, লুটপাঠ করেননি আজ তারা উপেক্ষিত।
অথচ যেসব নেতা ৩০/৪০ বছর প্রবাসে থেকে দেশে আসার পর জননেত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন, বিশ্বস্থ্য নেতা বলে দোহাইদেন তারা আসলে প্রকৃত পক্ষে দল বা দলের আদর্শ কোন দিন লালন করেনা। যারা দেশের রাজ পথে থেকে জেল-জুলুমের স্বীকার হয়ে রাজনীতি করেন তারা এসব উড়ে এসে জুড়ে বসা নেতাদের মন থেকে মেনে নিতে পারেন না। যেসব বিষয়ে নেত্রীর কড়া নির্দেশ রয়েছে তা মেনে অভিযুক্তদের বহিষ্কার করে দলকে কলঙ্কমুক্ত করা একান্ত আবশ্যক হয়ে দাড়িয়েছে। নেত্রী আমাকে সভাপতি পদে মনোনিত করে সিলেট জেলা সভাপতির দায়িত্ব দিলে আমি প্রথমেই সেসব নেতাদের খোঁজে খোঁজে বের করে মূল্যায়ন করবো যারা সারাজীবন দলের জন্য কাজ করে গিয়ে আজ কোনঠাশা হয়ে আছেন। কিংবা দলের জন্য আজীবন কাজ করে পরোপারে পাড়ি জমিয়েছেন। কিন্তু সিলেটের নেতারা প্রয়াত সে সব তাদের নাম পর্যন্ত মুখে নেওয়াকে অপরাধ মনে করেন। যারা উড়ে এসে জুড়ে বসে আছেন তাদের বিরুদ্ধে নিবো নেত্রীর দেওয়া নির্দেশ মোতাবেক ব্যবস্থা। কারন কেন্দ্র থেকে উপজেলা পর্যন্ত আওয়ামী লীগকে ঢেলে সাজাতে নেত্রীর নির্দেশনা রয়েছে এবং ত্যাগীদের মূল্যায়ন করার কথা বলা হচ্ছে। তাই আমিও সভাপতি পদে মনোনয়ন পেতে আশাবাদী।
আমি আজীবন বঙ্গবন্ধু আর জননেত্রীর আদর্শকে মূল্যায়ন দিয়ে দলের হয়ে কাজ করে গেছি। সারাদেশে নৌকার হয়ে কাজ করে নিজের যোগ্যতার প্রমান দিয়েছি। আশা করি নেত্রী আমার কর্মের মূল্যায়ন করবেন। আসন্ন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে মাঠে রয়েছেন অনেক শক্তিশালী নবীন নেতারা। এছাড়া নানা সমীকরণে সভাপতির মনোনয়ন দৌড়ে আছেন আওয়ামী লীগের নবীন প্রবীণরা। তবে শেষ দৌড়ে যে কয়জন রয়েছেন তাদের মধ্যে এডভোকেট রুহুল আনাম চৌধুরী মিন্টু অন্যতম।

সংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন
0Shares

দেশ বিদেশের সবগুলো অনলাইন পত্রিকার লিংক

বাংলাদেশের সকল টিভি চ্যানেল

ভিজিটর কাউন্টার

  • ২৯৩
  • ৩৬৬,৬২০