মঙ্গলবার, ১৪ Jul ২০২০, ০২:৩৯ অপরাহ্ন

নোটিশ :
অপরাধ বাণীতে আপনাকে স্বাগতম ।  সিলেটসহ সারাদেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।   আগ্রহীরা আমাদের পত্রিকার ই-মেইলে অথবা সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন। halimshagor2011@gmai.com.Mb.01722062274 অফিস:৩৩৭ রংমহল টাওয়ার(৩য় তলা) বন্দরবাজার সিলেট।
আজকের সংবাদ শিরোনাম :
অবৈধ উপায়ে ইতালি পৌঁছেছেন ৩৬২ জন বাংলাদেশি সিলেটে মাদক জিরো টলারেন্স নীতিতে চলতে কমিশনারের নির্দেশ ভার্চুয়াল আপিল বিভাগ বসবে সপ্তাহে দু’দিন বিএনপি বিষোদগার ছাড়া এ সংকটে জাতিকে কিছুই দিতে পারেনি: ওবায়দুল কাদের মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ফটো সাংবাদিক আজমলসহ আহত ২ গোলাপগঞ্জে ২১হাজার শলাকা বিড়ি সহ গ্রেফতার ১ ঐশ্বরিয়া মেয়েসহ করোনা আক্রান্ত সাহেদ যত বড় ক্ষমতাবানই হোন না কেন, যে কোনো সময় গ্রেফতার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিলেটে বেড়েছে সব নদীর পানি জুয়ার আসরে পুলিশের অভিযান, আটক ৮ মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিম সুশান্তকে খুন করেছে মার্কিন সেনার আত্মহত্যা কোরবানির একটি পশুও আমদানি করা হবে না চীনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ সিলেটে প্রতারক চিকিৎসক পুলিশের খাঁচায় ট্যাংকলরি শ্রমিকদের সমাবেশ : ওসি প্রত্যাহারসহ ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম চিরঘুমে সাহারা খাতুন-মা-বাবার পাশে স্বাস্থ্য খাতের অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে : কাদের আর্থিক সহায়তা বাড়ানো হবে করোনা মোকাবেলায় : প্রধানমন্ত্রী খুলছে ব্রিটিশ ভিসা আবেদন কেন্দ্র
রেডিও ফ্রিকুয়েন্সির অপপ্রয়োগে ছাত্র-ছাত্রীদের অমনযোগ প্রসঙ্গে

রেডিও ফ্রিকুয়েন্সির অপপ্রয়োগে ছাত্র-ছাত্রীদের অমনযোগ প্রসঙ্গে

ড. মোঃ রহিমুল্যাহ মিঞা : অন্তর রহস্যের এক অজানা আদর্শ-এ নিখিল বিশ্বজগৎ। জীবন আর প্রকৃতির বিচিত্র রঙে তা ভরপুর। কে এই সৃষ্টিকর্তা ? কার নির্দেশে এ মহাবিশ্বের আবর্তন? ইত্যাদি প্রশ্নের উত্তরে ইসলামী শাস্ত্রে বলে-এর স্রষ্টা একজন, সেই শ্রষ্টার শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি- আশরাফুল মাখলুকাত-মানুষকে তিনি করিলেন সৃজন। সেই সৃজিত দুনিয়ার মানুষকে আল্লাহ তা’য়ালা দান করলেন সুন্দর একটি মস্তিষ্ক – যা পাঁচ লক্ষ সুপার কম্পিউটারের চেয়েও শ্রেষ্ঠ। আবার সেই মানুষ কর্মদোষে আত্রাফুল মাখলুকাত- রেডিও ফ্রিকুয়েন্সির অপব্যবহারে আক্রান্ত। মানুষের মস্তিষ্ক এমন একটি সিদ্ধান্তের ভান্ডার, যা অন্যকোন প্রাণিকে দেওয়া হয়নি। মস্তিষ্ক বিকৃত হলে দেখা দেয় অসুস্থতা, যার ফলে রক্তনালী এবং রক্ত সঞ্চালনের সিস্টেমের সাথে শুরু হয় জটিলতা। এই জটিলতায় মস্তিষ্ক নিজেই মানসিক সমস্যায় জড়জড়িত এবং অস্বাভাবিক শারীরিক যন্ত্রণায় আবর্তিত। আর এভাবেই দুর্বৃত্তায়নে ঘটে যায় ব্রেইন স্ট্রকসহ আরও অনেক কিছু অজানা সমস্যা। তখন দেহের কোনও অংশে রক্তের উৎস পরিবর্তিত হয় এবং শরীরের সেই অংশের টিস্যু নষ্ট হয়ে যায়। আর ছাত্র-ছাত্রীদের ক্ষেত্রে লেখাপড়ায় অমনযোগীর আশঙ্কা। প্রকৃতপক্ষে এসব কিছু ঘটে রেডিও ফ্রিকুয়েন্সির বিভিন্ন তারতম্যের কারণে, যা আমার পিএইচডি গবেষণা থেকে জানা যায়।
প্রকৃতপক্ষে অমনযোগিতা ঘটে উপযুক্ত পরিবেশের পরিস্থিতি অনুযায়ী মস্তিষ্কের চিন্তা-চেতনার বিকাশের প্রভাবে। অমনযোগিতা সম্পর্কিত ঘটনাগুলি, মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসে রক্ত সঞ্চালনে ব্যর্থ হয় এবং তারপরে উক্ত পেশীটি আহত হয়। ভাবি হঠাৎ কেন এমন হয়? কেন মানুষ দ্রæত মাথা ঘুরে পড়ে যায়? কেন লেখাপড়া ভুলে যায়? কেনই বা অমনযোগী হয়? এসব কিছু জানার জন্য আমি রেডিও ফ্রিকুয়েন্সির সাহায্য নিয়ে গবেষণা শুরু করি। এজন্য আমি গেøাবাল পজিশনিং সিস্টেমের (জিপিএস) সাথে স্থানাঙ্ক সনাক্তকরণের মাধ্যমে মস্তিষ্ক এবং শরীরের অন্যান্য অঙ্গগুলির দিকে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে কুকুর এবং বিড়ালদের উপর আমার পরীক্ষা চালিয়েছি। প্রথমত মানব/ প্রাণীর দেহের অবস্থানটি জিপিএস এবং গেøাবাল নেভিগেশন স্যাটেলাইট সিস্টেমস (জিএনএসএস) সহ দ্রাঘিমাংশ, অক্ষাংশ এবং উপবৃত্তাকার উচ্চতা চিহ্নিত করে টেলিমেটিক্স, প্রযুক্তি-রাডার এবং প্রযুক্তি-লেজারের মতো আরএফআইডি (রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন) প্রযুক্তি ব্যবহার করেছি। তারপরে জিএনএসএস দ্বারা চিহ্নিত ব্যক্তি বা অবজেক্ট স্ক্যান করে এবং গেটওয়েতে নোড বা পয়েন্টার প্রবেশের বা ওয়্যারলেস সেন্সর নেটওয়ার্কগুলি প্রসারিত করে বা বিদ্যমান অঙ্গের প্রয়োজনীয়তা অনুসারে সেন্সর নেট বিতরণ করা হয়েছে। যখন ওয়ারলেস সেন্সর নেটওয়ার্ক নির্দিষ্ট অঙ্গে প্রবেশ করায়, অক্সিজেন সঞ্চালনের অভাবে তাৎ্ক্ষণিকভাবে এই অঙ্গটি নিষ্ক্রিয় হয়, ইতিমধ্যে হাইপোথ্যালামাসে আক্রমণে আটকে যাওয়া টিস্যুটির সহজে মৃত্যু হয়। এভাবেই মানুষের সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতা, কর্মক্ষমতা, ভাষাজ্ঞান, দৃষ্টিভঙ্গি, সমন্বয় ও মনযোগিতা অজান্তেই নষ্ট হয়।
তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের জীবনে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আর তা হচ্ছে মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট, ল্যাপ্টপ, ওয়াই-ফাই, প্লাজমা টিভি, এফএম রেডিও, ট্যাব এবং আরও অনেক ওয়ারলেস ডিভাইস। এমন অবস্থা যেন এগুলো ছাড়া জীবন চলে না, মন মানে না, মস্তিষ্ক শান্ত থাকেনা। আর এই সুযোগে, আত্রাফুল মাখলুকাত- সাইবার হ্যাকার অমানুষ জাতিটি- রেডিও ফ্রিকুয়েন্সির অপব্যবহারে করছে বিড়ম্বনা। তেমনটি স্ট্রোক, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, পাতলা পায়খানা, কোমড়ে ব্যথা, পিঠে ব্যথা, মেরুদন্ডে ব্যথা, ক্যান্সার ও প্যারালাইস্ড সহ আরও অনেক রোগ সৃষ্টি করে সাইবার হ্যার্কারা রেডিও ফ্রিকুয়েন্সির অপব্যবহারের মাধ্যমে। আমরা দো’য়া করি তাদের জন্য- আল্লাহ তা’য়ালা তাদেরকে হেদায়েত নসিব করুন, যাতে রেডিও ফ্রিকুয়েন্সির অপব্যবহার থেকে ভালো পথে ফিরে আসে, আল্লাহ তাদেরকে সঠিক জ্ঞান দান করেন। আমিন! আমিন!!

আমাদের দেশে সম্প্রতি অনেক ছাত্র-ছাত্রী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, আজও হচ্ছে। এভাবে প্রতি বছর অনেক ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষায় খারাপ রেজাল্ট করছে, যা আমাকে চিন্তায় ফেলেছে। আমার দৃষ্টিভঙ্গির কারণে, আমি বাংলাদেশের নাগরিক এবং পাশাপাশি একজন মুসলমানের দায়িত্ব হিসেবে বর্তমান প্রজন্মের প্রতি আমার হক বা অবদান আছে। সম্প্রতি মালয়েশিয়ার ইউনিমাস থেকে পিএইচডি ডিগ্রি শেষ করে আমি দেশে ফিরেছি। এই পিএইচডি ডিগ্রি কেবল এটি আমার সার্টিফিকেটের মধ্যেই হেফাজতে রাখার জন্য নয়, এই ডক্টরেট ডিগ্রী বিশ্বের সমগ্র মানুষের কল্যানের জন্য, যা সম্পন্ন করার জন্য আমি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ থেকে পিএইচডি ফেলোশিপ এবং ইউনিমাস থেকে জামালাহ স্কলারশীপ পেয়েছি। এজন্য আমি বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার সংস্থা দুটিকে আমার অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে ধন্যবাদ জানাই। তাই আমার লেখাটি সারা দেশ বা বিশ্বের অনেকের পক্ষে কাজে লাগতে পারে, ইনশাআল্লাহ।
আমার পরীক্ষাটি দুটি প্রাণী যথা কুকুর এবং বিড়ালসহ আরও কয়েকটি বিষয়ের চলে। পরীক্ষাগুলির সময়, আমি টেলিমেটিক্সের মাধ্যমে বিভিন্ন দূরত্ব এবং উচ্চতায় বিভিন্ন রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করি। পরীক্ষার আগে আমি প্রত্যেকটি প্রাণীর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে এবং নমুনা প্রাণীগুলির রোগমুক্ত জানার জন্য পৃথক পৃথক বডি মাস ইনডেক্স (বিএমআই), শরীরের তাপমাত্রা, শ্বাস প্রশ্বাসের হার এবং রক্তচাপ পরীক্ষা করেছিলাম। এব্যাপারে ডাক্তার, নাসর্, মেডিক্যাল ইন্টার্ন ছাত্র-ছাত্রীরা আমাকে সহযোগিতা করেছিল। একটি গতিশীল পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরে, আমি এই সিদ্ধান্তে এসেছি যে অন্ধকার পরিবেশে মোটা প্রাণিটি ৭ মিনিটে এবং ১২ মিনিটে পাতলা তথা চিকন প্রাণিটি অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। এবং আলোতে প্রায়ই দ্বিগুণ সময়ে প্রাণীগুলো অসুস্থ ছিল। তবে এই প্রাণীগুলিকে অসুস্থ করতে অন্ধকার, আলোর চেয়ে বেশি সংবেদনশীল । পরীক্ষালব্দ সময় এবং ফ্রিকুয়েন্সি যদি আরও বাড়িয়ে দেওয়া যেতো অথবা তা দ্বিগুণ করলে এর প্রভাব নেতিবাচক হতো। যা আমার গবেষণা নিবন্ধে, আমি ইউটিবে প্রাপ্ত ফলাফলগুলি হাইলাইট করেছি, বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে এবং রেফার্ড জার্নালে ৭ টি গবেষণাপত্র, ২০৫ টি সেমিনার অধিবেশন, ৮ টি সম্মেলন, ২১ টি মসজিদে আলোচনা সভা পরিচালনা করা হয়েছে এবং ৭৫০০ টি লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। এই কর্মক্ষমতা সেমিনার / সম্মেলন বা সচেতনতা আলাপের মাধ্যমে আয়োজিত, যা সরকারী, আধা-সরকারী ও বেসরকারী সংস্থাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে উপস্থাপন করা হয়েছে, যেমন: (১) জেলা প্রশাসক অফিস-সিলেট জেলা, (২) জেলা প্রশাসক অফিস-সুনামগঞ্জ জেলা, (৩) জেলা প্রশাসক অফিস- বগুড়া জেলা, (৪) সিলেট সিটি কর্পোরেশন, (৫) মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-টাঙ্গাইল, (৬) সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (৭) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট-উপশহর-সিলেট, (৮) সিলেট ক্যাডেট কলেজ, (৯) সিলেট হোমস স্কুল ও কলেজ, (১০) চার্টার্ড কলেজ-সিলেট, (১১) দিশারী স্কুল ও কলেজ-সিলেট, (১২) উত্তর কাজিটুলা জামে মসজিদ-সিলেট, (১৩) ) হাজী কুদরাতুল্লাহ ইসলামিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়-সিলেট, (১৪) বিদ্যাবরেন্য স্কুল অ্যান্ড কলেজ-সিলেট, (১৫) কাজী জালাল উদ্দিন জামে মসজিদ-সিলেট, (১৬) মারকাজু শাইখিল ইসলাম আল-আমিন মাদ্রাসা-সিলেট, (১৭) বিদ্যা সিঁড়ি স্কুল -সিলেট, (১৮) শাহিন স্কুল-সিলেট, (১৯) মধুশাহিদ সরকারী প্রাথমিক স্কুল-সিলেট, (২০) কাজী জালাল উদ্দিন সরকারী বালক প্রাথমিক বিদ্যালয়-সিলেট, (২১) কাজী জালাল উদ্দিন সরকারী বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়-সিলেট, (২২) কিশোরী মোহন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়-সিলেট, (২৩) জামিয়া ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা- সিলেট, (২৪) পাইওনিয়ার স্কুল এন্ড কলেজ-শাহী দগাহ-সিলেট, (২৫) রামকৃষ্ণ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়-সিলেট, (২৬) রোজ ভ্যালি কিন্ডারগার্টেন স্কুল-সিলেট, (২৭) গোয়াবাড়ি জামে মসজিদ-সিলেট, (২৮) ইসলামিক জাতীয় ইনস্টিটিউট-সিলেট, (২৯) রিয়াজ উল্লাহ ওয়াক্ফ এস্টেট জামে মসজিদ-সিলেট, (৩০) কুরআন গার্ডেন-সিলেট, (৩১) মেট্রোসিটি প্রি-ক্যাডেট একাডেমি-সিলেট, (৩২) রামকৃষ্ণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়-সিলেট, (৩৩) মাদ্রাসায় এমদাদুল উলুম-সিলেট, (৩৪) বসন্ত মেমোরিয়াল স্কুল-সিলেট, (৩৫) কুদ্রতুল্লাহ হাফিজিয়া মাদ্রাসা-সিলেট, (৩৬) ) হযরত শাহজালাল ডি.ওয়াই. কামিল মাদ্রাসা-সিলেট, (৩৭) রাজা জি.সি. উচ্চ বিদ্যালয়-সিলেট, (৩৮) জমিয়াতুল খায়ের আল ইসলামিয়া-সিলেট, (৩৯) কুরআনিক হোম-সিলেট, (৪০) কিংস্টার উচ্চ বিদ্যালয়-সিলেট, (৪১) শাহজালাল কলেজিয়েট স্কুল-সিলেট, (৪২) সিলেট সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ছাত্রাবাস, (৪৩) লামাবাজার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়-সিলেট, (৪৪) মেট্রো সিটি মহিলা কলেজ-সিলেট, (৪৫) সিলেট আবাসিক স্কুল ও কলেজ, (৪৬) জালালাবাদ এমএটিএস, সিলেট, (৪৭) দুর্গাকুমার পাঠশালা-সিলেট, (৪৮) সিলেট কেন্দ্রীয় ডেন্টাল কলেজ, (৪৯) আল-হিকমা বিদ্যানিকেতন- বড়বাজার- সিলেট, (৫০) জালালাবাদ কলেজ-সিলেট, (৫১) সিলেট হোমিও প্যাথিক মেডিকেল সমিতি, (৫২) আল-হামরা জামে মসজিদ-সিলেট, (৫৩) জাতীয় মহিলা সমিতি- উপশহর-সিলেট, (৫৪) ওমর শাহ তেরোরতন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-সিলেট, (৫৫) আল-কুরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসা-সিলেট, (৫৬) এলিট ইসলামিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ-সিলেট, (৫৭) আল-মদিনা আন্তর্জাতিক স্কুল ও কলেজ -সিলেট, (৫৮) শাহ জালাল সিটি কলেজ-সিলেট, (৫৯) আর রাইয়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুল-সিলেট, (৬০) জহিরিয়া এমইউ হাই স্কুল-সিলেট, (৬১) শাহজালাল আইসিটি কিন্ডারগার্টেন এবং উচ্চ বিদ্যালয়-সিলেট, (৬২) রয়্যাল ফ্যালকন ইন্টারন্যাশনাল স্কুল-সিলেট, (৬৩) শাহজালাল উপশহর আইডিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়-সিলেট, (৬৪) সানি হিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ -সিলহেট, (৬৫) ময়নুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়-সিলেট, (৬৬) মা মনি প্রি-ক্যাডেট একাডেমি-সিলেট, (৬৭) আইডিইএ (জাতীয় এনজিও) অফিস-সিলেট, (৬৮) সিলেট বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজ হোস্টেল, (৬৯), সীমান্তিক ম্যাটস-সিলেট, এবং সীমান্তিক মানব সম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্র-সিলেট, (৭০) শাহজালাল উপশহর উচ্চ বিদ্যালয়-সিলেট, (৭১) রসোময় উচ্চ বিদ্যালয়-সিলেট, (৭২) মির্জা জাঙ্গাল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়-সিলেট, (৭৩) মেরিট হোম-সিলেট, (৭৪) ক্লাসিক স্কুল ও কলেজ-সিলেট, (৭৫) সিলেট জেলা সমাজকল্যাণ অফিস, (৭৬) গেøাবাল ট্রেড কর্পোরেশন- জিন্দাবাজার-সিলেট, (৭৭) ময়নুদ্দিন আদর্শ মহিলা কলেজ-সিলেট, (৭৮) জামিয়া নুরিয়া ভার্থখোলা মাদ্রাসা -সিলেট, (৭৯) যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-সিলেট, (৮০) সিলেট প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় ও কলেজ, (৮১) সুনামগঞ্জ পৌরো ডিগ্রি কলেজ, (৮২) হাসনাবাজ জামে মসজিদ- জামালগঞ্জ-সুনামগঞ্জ, (৮৩) মডেল উচ্চ বিদ্যালয়-সিলেট, (৮৪) দ্য এইডেড উচ্চ বিদ্যালয়- তেতিপাড়া-সিলেট, (৮৫) বায়তুল আমান জামে মসজিদ-সিলেট, (৮৬) সিলেট কালেক্টরেট জামে মসজিদ, (৮৭) বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড উচ্চ বিদ্যালয়-সিলেট (৮৮) বায়তুল ফালাহ জামে মসজিদ-সিলেট, (৮৯) শ্রীমঙ্গোল জামে মসজিদ-মৌলভীবাজার, (৯০) শাহ মোস্তফা জামিয়া ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়-শ্রীমঙ্গোল-মৌলভীবাজার , (৯১) ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়- শ্রীমঙ্গোল-মৌলভীবাজার, (৯২) শ্রীমঙ্গোল আবাসিক স্কুল ও কলেজ-মৌলভীবাজার, (৯৩) বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট উচ্চ বিদ্যালয়-শ্রীমঙ্গোল-মৌলভীবাজার, (৯৪) ক্লাসিক আদর্শ স্কুল – শ্রীমঙ্গোল-মৌলভীবাজার, (৯৫) ) উপাধ্যক্ষ মুহাম্মদ আবদুস শহীদ কলেজ-শ্রীমঙ্গোল, (৯৬) মেট্রোপলিটন বিশ্ববিদ্যালয়-সিলেট, (৯৭) নেটপ্রো মডেল স্কুল ও কলেজ-বগুড়া, (৯৮) রেড ক্রিসেন্ট নার্সিং ইনস্টিটিউট- সিলেট, (৯৯) বাংলাদেশ বন বিভাগ-ঢাকা, (১০০) সিলেট সরকারী অগ্রগামী স্কুল ও কলেজ, (১০১) বায়তুন নূর জামে মসজিদ-উপশোহর-সিলেট , (১০২) সিলেট ইউসিইপি- ঘাসিটুলা স্কুল শাখা, (১০৩) সিলেট সরকারী কারিগরি স্কুল ও কলেজ, (১০৪) সিলেট প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, (১০৫) সিলেট ইউসিইপি-সুলাইমান চৌধুরী বালুচড়া স্কুল, (১০৬) সিলেট ওসমানী মেডিকেল উচ্চ বিদ্যালয়, (১০৭) সিলেট ইউসিইপি আঞ্চলিক অফিস-বটেশ্বর, (১০৮) বøুু বার্ড স্কুল ও কলেজ-সিলেট, (১০৯) তা’লিমুল কুরআন আরবি শিক্ষা কেন্দ্র-সিলেট, (১১০) সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান জামে মসজিদ- চুনারুঘাট, (১১১) কুমারপাড়া জামে মসজিদ-সিলেট, (১১২) সিলেট লার্নিং ভিলেজ, (১১৩) নূরজাহান মেমোরিয়াল মহিলা ডিগ্রি কলেজ-সিলেট, (১১৪) সিলেট মহিলা মেডিকেল কলেজ, (১১৫) পার্কভিউ মেডিকেল কলেজ-সিলেট, (১১৬) নর্থ ইস্ট নার্সিং কলেজ- সিলেট, (১১৭) মর্নিংটন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ-সিলেট, (১১৮) সিলেট ইউনিভার্সাল কলেজ, (১১৯) বনবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট- সিলেট, (১২০) সান্টা ক্লারা ডি সান কার্লোস-কোস্টারিকা, (১২১) পার্ল আন্তর্জাতিক হোটেল, কুয়ালা লামপুর- মালয়েশিয়া, (১২২) আভানা হোটেল-জেন্টিং হাইল্যান্ডস-মা লয়েশিয়া, (১২৩) সারাওয়াক হার্ট ফাউন্ডেশন- মালয়েশিয়া, (১২৪) শাহজালাল (র.) উপশহর হিফজুল কুরআন একাডেমী-সিলেট, (১২৫) হিফজুল কুরআন একাডেমী, ইলেকট্রিক সাপ্লাইরোড-সিলেট, (১২৬) জামিয়া ইসলামিয়া ফরিদাবাদ মাদ্রাসা,এয়ারপোর্ট-সিলেট, (১২৭) সিলাম ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা, দক্ষিন সুরমা-সিলেট, (১২৮) আইডিয়াল নূরানী তা’লিমূল কোরআন, ঘাসিটুলা-সিলেট, (১২৯) শেখঘাট জামে মসজিদ, সিলেট, (১৩০) বায়তুল মাকসুদ জামে মসজিদ, সুবিদবাজার, সিলেট, (১৩১) মৌবন জামে মসজিদ, জতরপুর, সিলেট, (১৩২) বক্ষব্যধি হাসপাতাল, সিলেট, (১৩৩) ইসলামিক ফাউন্ডেশন-সিলেট, (১৩৪) হযরত খাদিজা (রাঃ) ইন্সটিটিউট মাদ্রাসা, সিলেট, (১৩৫) জামিয়া ইসলামিয়া মাহমুদিয়া মাদ্রাসা, সিলেট, (১৩৬) হলিসিটি স্কুল ও কলেজ, সিলেট, (১৩৭) মারকাযুত তাকওয়া, উপশহর, সিলেট, (১৩৮) ক্যাডেট কলেজ ক্যাম্পাস হাই স্কুল, সিলেট, (১৩৯) লামাপাড়া জামে মসজিদ, ঘাসিটুলা, সিলেট, (১৪০) দারুর রাশাদ হাফিজিয়া মাদ্রাসা, সিলেট, (১৪১) নিপোর্ট, শাহী ঈদগাহ, সিলেট, (১৪২) ইন্সটিটিউট অব হেল্দ টেকনোলজি, সিলেট, (১৪৩) মেরীস্টপস, দর্শনদেউরি, সিলেট, (১৪৪) গোয়াবাড়ি জামে মসজিদ, সিলেট, (১৪৫) সাহিত্য আসর, কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংস্থা, সিলেট, (১৪৬) শাহীন স্কুল, শিবগঞ্জ, সিলেট, (১৪৭) জামিয়া ইসলামিয়া আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) মাদ্রসা, সিলেট, (১৪৮) টাইটানিক বিল্ডিং জামে মসজিদ, সুবিদবাজার, সিলেট, (১৪৯) জামিয়া খাতামুন্নাবিয়ীন সিলেট, বালুচর, সিলেট, (১৫০) আব্দুল গফুর ইসলামী আইডিয়াল স্কুল ও কলেজ, সিলেট, (১৫১) ইবনে সীনা হাসপাতাল সিলেট লিঃ, (১৫২) আনোয়ারা মতিন একাডেমী, সিলেট, (১৫৩) হযরত শাহমীর (র.) হাফিজিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা, সিলেট, (১৫৪) হাজী শাহমীর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, সিলেট, (১৫৫) অনুশীলন একাডেমী, শাহী ঈদগাহ, সিলেট, (১৫৬) হলিসিটি কলেজিয়েট স্কুল, সিলেট, (১৫৭) ঝেরঝেরী পাড়া জামিয়া হুসাইনিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা, সিলেট, (১৫৮) গ্রীনসিটি ইন্টারন্যাশনাল কলেজিয়েট স্কুল, সিলেট, (১৫৯) মজুমদারী জামে মসজিদ, সিলেট, (১৬০) পূর্ব সুবিদবাজার জামে মসজিদ, সিলেট, (১৬১) আলোকিত পাঠশালা, ছড়ারপার, বালুচড়া, সিলেট, (১৬২) জামিয়া ইসলামিয়া আরশাদুল উলুম সিলেট, (১৬৩) মুহাম্মাদিয়া ইসলামিয়া হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা, সিলেট, (১৬৪) আলী বক্স জামে মসজিদ, আখালিয়া, সিলেট, এবং (১৬৫) জামিয়াতুল উলুম আশারীয়্যা সিলেট, পিরোজপুর, সিলেট। এই সেমিনারগুলি, লিফলেট বিতরণ এবং সচেতনতা আলোচনা থেকে প্রায় ৯৬% উত্তরদাতারা প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, হাসপাতাল, ক্লিনিক, ধর্মীয় স্থান, কমিউনিটি সেন্টার, ক্লাব এবং আবাসিক এলাকায় গতিশীল সুরক্ষা ব্যবস্থার সাথে ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ ইউনিট (প্যানসিইউ) স্থাপনের জন্য মতামত ব্যক্ত করেছেন। যদি আমরা আমাদের ওয়্যারলেস ডিভাইসগুলি বিশেষত মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, ডেস্কটপ, ওয়াই-ফাই, প্লাজমা টিভি, এফএম রেডিও এবং এ সম্পর্কিত ডিভাইসগুলি ৬ ফুটের বেশি ব্যাসার্ধের মধ্যে ব্যবহার করি, তাহলে অনেকটা নিরাপদ। সাইবার হ্যাকাররা এসব অবৈধ কাজে জড়িত, তা আমি এই গবেষণাটি চিহ্নিত করেছি; অসুস্থতার সময় প্রাণীগুলি বিভিন্ন লক্ষণ প্রদর্শন করেছিল যেমন হঠাৎ উচ্চ চাপ, তীব্র মাথা ব্যথা, মাথা ঘোরা, মাইগ্রেন, মাথায় খুশকি, চুল পওড় যাওয়া, ঘাড় ব্যথা, বমি বমি ভাব এবং শরীরের দুর্বল কর্মক্ষমতা অনুভব করা। আমার পরীক্ষিত প্রাণীগুলি যখন রেডিও টেলিমেটিক্স্র দ্বারা অসুস্থ হয়ে পড়ছে যা বৈদ্যুতিক চৌম্বকীয় বর্ণালী (ইএমএস) এর অনপ্রবেশ ওয়্যারলেস সেন্সর নেটওয়ার্কের মাধ্যমে হচ্ছে । এই ইএমএস অক্সিজেন সরবরাহের সময় সংযোগকারী টিস্যু বাধাদান বা অক্সিজেন প্রবেশে বাধা দেয়। যদি আমি অন্ধকারে ৭ মিনিটের পরিবর্তে অতিরিক্ত উচ্চ রেডিও ফ্রিকোয়েন্সিটি প্রয়োগ করি তবে এই নমুনাপ্রাপ্ত প্রাণিগুলি তৎক্ষণাৎ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যেতো। আসলে এই সমস্যার প্রধান কারণ বৈদ্যুতিক চৌম্বকীয় বর্ণালী শক্তির মাধ্যমে অক্সিজেন প্রবেশে বাধা।
এসব কিছু রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ডিটেক্টরের মাধ্যমে জানা যায়। আমাদের প্রত্যেকের মনে রাখা জরুরী যে, রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি পরীক্ষা করার দরকার হলে ল্যাব টেকনিশিয়ান / বিশেষজ্ঞের কাছে ৬ ফুটের মধ্যে কোনও মোবাইল ফোন বা প্রাসঙ্গিক সেন্সর ডিভাইস, কোনও ওয়াই-ফাই, ওয়্যারলেস ডিভাইস বা এমনকি ইন্টারনেট সংযোগ থাকবে না। আরএফআইডি পরীক্ষাটি সংলগ্ন জায়গার রেডিও ফ্রিকোয়েন্সিটির সাথে তুলনা করতে পারে। তুলনামূলক ফ্রিকোয়েন্সি যদি ওঠানামা করে তবে রেডিও ফ্রিকুয়েন্সির অপব্যবহারে সংশ্লিষ্ট ছাত্র-ছাত্রীদের অমনযোগ বা উদাসীনতা দেখা দিয়েছে। যেখানে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ালেখা করে, ঘুমায় বা বিশ্রাম নেয়, এক্ষেত্রে তাদের প্যানসিইউ বা একটি নেটওয়ার্কবিহীন লোকেশনে থাকা দরকার। তবে তাদের মনেরাখা উচিত যে তাদের নিজেদের মোবাইলফোন বিছানায়, খাবারের টেবিল, পড়ার টেবিল, কম্পিউটার টেবিল, বাথরুম এবং গল্প করার জায়গাগুলি থেকে ৬ ফুটের বেশি দূরে থাকা উচিত। প্রত্যেকের মোবাইলফোনটি কখনোই বিছানায় বালিশের নীচে অ্যালার্ম হিসেবে রাখা যাবেনা; পাশাপাশি শোবার ঘরে ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস সর্বদা নিষিদ্ধ করা উচিত। দুষ্টপ্রকৃতির বা অনৈতিক ভিডিওগেম থেকে প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীদের দূরে থাকতে হবে, অন্যথায় লেখাপড়ায় তাদের অমনযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাবে।
ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে মোবাইল ফোনটি না থাকলেও তারা হঠাৎ অসুস্থ হতে পারে। যেমন তারা কোথাও দাঁড়িয়ে স্কুলগাড়ি বা বাসের জন্য অপেক্ষা করছে। তাদের অবস্থান থেকে ৫০০ মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে মোবাইল ফোন হ্যাকার্রা তাদের মস্তিষ্কে রিমোট মোবাইলফোনের মাধ্যমে উচ্চ রেডিও ফ্রিকুয়েন্সির অপপ্রয়োগ করলে, ব্যথা অনুভব করার সঙ্গে সঙ্গে তৎক্ষণাত তাদের অবস্থান অবশ্যই পরিবর্তন করতে হবে। অন্যথায় তারা প্রত্যেকে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। এজন্য তাদেরকে সচেতন হতে হবে উল্লেখিত ছয়টি জায়গায় অবস্থান সম্পর্কে। যেমনঃ (১) তারা যে টেবিলে পড়াশুনা করবে, সে টেবিলে মোবাইল ফোন, ট্যাব বা ল্যাপ্টপ জাতীয় যন্ত্র ব্যবহার করা যাবেনা, (২) তারা যে বিছানায় ঘুমাবে সে বিছানায় কখনও মোবাইল ফোন, ল্যাপ্টপ, ট্যাব ব্যবহার করা যাবেনা, (৩) তারা যে বিছানায় ঘুমাবে, সেখানে কখনও হাঁচি, কাশি, হাই বা এ ধরনের মুখের বাতাসের গতি বেশি হলে দ্রুত বিছানা ত্যাগ করে অন্য জায়গায় তা সম্মপন্ন করতে হবে, (৪) তাদের শরীর থেকে দুষিত বাতাস বিছানায় নির্গত না করে, দ্রæত অন্য জায়গায় তা সম্মপন্ন করতে হবে, (৫) তারা যখন ঘুম যাবে, তখন আর কোন কথা বা শব্দ করা যাবেনা । যদি প্রয়োজন হয় তবে ঈশারা-সংকেত ব্যবহার করবে, (৬) বিছানায় ঘুমানোর পর হঠাৎ পেসাব বা পায়খানা লাগলে দ্রুত বিছানা ত্যাগ করে অন্যত্র যেতে হবে। দশ/বার শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়ার পরে, যদি আগের অবস্থায় থাকে, তবে বাথরুমে যাওয়া দরকার, অন্যথায় যাওয়া যাবে না। আমার গবেষণায় এও জানা যায় যে, মোবাইল প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষ এবং প্রাণীকূলের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটানো যায়। আর সেটা হচ্ছে হার্ট অ্যাটাক ও ট্রাকিয়া অ্যাটাক তথা শ্বাসনালী বন্ধ করে মানুষকে মেরে ফেলা যায়। কাজেই, ছাত্র-ছাত্রীদের মোবাইলফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে, ফেইসবুক বা স্যোসাল মিডিয়ার ক্ষেত্রো এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেম সম্বন্ধে তাদেরকে অবশ্যই সচেতন হতে হবে। এক্ষেত্রে সরকারের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা এবং মোবাইল কোম্পানীর সহমর্মিতা থাকলে তা আরও সাবলীল ও তাৎপযপূর্ণ হবে। পরিশেষে, সামাজিক মিডিয়া, প্রিন্ট মিডিয়া, ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং অন্যান্যসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের সচেতন করা উচিত। সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, মোবাইল সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় সমন্বিতকরণের মাধ্যমে জাতীয় শিক্ষানীতি, স্বাস্থ্য নীতি এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহ ২০৩০ সম্পর্কিত জাতীয় কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা অনুসারে সম্মিলিতভাবে কাজ উচিৎ।
লেখকের প্রোফাইল: ডঃ মোঃ রহিমুল্যাহ মিঞা, পিএইচডি (প্রযুক্তিগত পরিবেশ ব্যবস্থাপনা), ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া সারাওয়াক, সামারাহান, সারাওয়াক, মালয়েশিয়া। এম.ফিল (তাত্তি¦ক) সহ এমএসসি এবং বিএসসি (সম্মান) ফরেস্ট্রি (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ), স্নাতকোত্তর সহ ব্যাচেলর অফ এডুকেশন (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ)। এ ছাড়া আইনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সহ স্নাতক এবং কম্পিউটার সায়েন্সে ডিপ্লোমা সহ ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমে এমএসসি। লিডিং ইউনিভার্সিটির প্রাক্তন শিক্ষক, সিলেট, বাংলাদেশ। বর্তমান: সহযোগী অধ্যাপক ও শিক্ষা সমন্বয়কারী, মর্নিংটন কলেজ অব বিজ্নেস, আম্বোরখানা, সিলেট, বাংলাদেশ।

সংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন
0Shares

অপরাধ বাণীতে প্রকাশিত সংবাদ পড়ুন, শেয়ার,লাইক,কমেন্ট করে সাথে থাকুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




ভিজিটর কাউন্টার

    © All rights reserved © 2009, থেকে আমাদের যাত্রা চলমান
    Design BY MWD
    aporadhbani.com